
চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল পেলেন তিন বিজ্ঞানী
- চিকিৎসাবিজ্ঞানে (ফিজিওলজি বা মেডিসিন) নোবেল পুরস্কার যৌথভাবে পেয়েছেন কার্ল ডেইসেরথ, পিটার হেগেম্যান ও গেয়র্গ নাগেল।
- ‘অপটোজেনেটিকস’ পদ্ধতির সাহায্যে আলো ব্যবহার করে মস্তিষ্কের ভেতরের নিউরন বা কোষকে সুইচের মতো অন–অফ করা যায়।
- জার্মান গবেষক পিটার হেগেমান নব্বইয়ের দশকের শুরুতে ক্ল্যামাইডোমোনাস নামক এককোষী শৈবাল নিয়ে কাজ করছিলেন।
- নোবেল পুরস্কার জেতার খবর পাওয়ার পর বিজ্ঞানী কার্ল ডেইসেরথ সন্তানদের জন্য স্কুলের টিফিন বা লাঞ্চ স্যান্ডউইচ তৈরি করেন।
- কার্ল ডেইসেরথ স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত আছেন এবং তিনি একজন প্রশিক্ষিত চিকিৎসক।
সময়রেখা
- ৫ অক্টোবরচিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল পেলেন কার্ল ডেইসেরেথ, পিটার হেগেমান ও গেয়র্গ নাগেল। · ৮টি খবর
- ৬ অক্টোবরতিন বিজ্ঞানীর মস্তিষ্কের অনুভূতি ও আচরণের রহস্য উন্মোচনের খবর প্রকাশিত হয়। · ৭টি খবর
- ৭ অক্টোবরনোবেল জয়ের পর ডাইসারোথের প্রথম দিন কাটানো এবং তাঁর মেয়ের মন্তব্যের খবর প্রকাশ পায়। · ২টি খবর
- ৮ অক্টোবরনোবেলজয়ী কার্ল ডাইসেরথ নোবেল জয়ের পর সন্তানদের জন্য লাঞ্চ বানানোর ঘটনা জানান। · ৫টি খবর
কেন আলোচনায়
অপটোজেনেটিকস প্রযুক্তির মাধ্যমে মস্তিষ্ক নিয়ন্ত্রণের যুগান্তকারী আবিষ্কারের জন্য চিকিৎসাবিজ্ঞানে তিন বিজ্ঞানীর নোবেল পুরস্কার অর্জনের খবরটি চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে।
এক নজরে: সংবাদমাধ্যমগুলো কীভাবে লিখেছে
অধিকাংশ প্রতিবেদন চিকিৎসাবিজ্ঞানে তিন বিজ্ঞানীর নোবেল জয়ের খবরটি প্রধান শিরোনাম করেছে। কয়েকটি প্রতিবেদনে মস্তিষ্কের রহস্য উন্মোচন ও কোষ নিয়ন্ত্রণে আলো ব্যবহারের প্রযুক্তির কথা প্রথমে তুলে ধরা হয়। কিছু প্রতিবেদনে মাঝরাতে নোবেল পাওয়ার খবর পাওয়ার মুহূর্তটি এবং বিজয়ী বিজ্ঞানীর পরিবারের প্রতিক্রিয়া বিশেষ বিবরণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
AI লিখেছে, সংবাদমাধ্যমগুলোর শিরোনাম ও প্রতিবেদনের অংশ থেকে। কোনো সংবাদমাধ্যমের মূল্যায়ন নয়। প্রতিটির খবর নিচে।
টপিকের গতি
প্রতিটি স্তম্ভ = ওই সময়ে এই টপিকে প্রকাশিত খবরের সংখ্যা। মাউস রাখলে বা ট্যাপ করলে সংখ্যা ও সময় দেখা যাবে।
উৎস অনুযায়ী খবর
সাংবাদিকদের থামিয়ে সন্তানদের জন্য লাঞ্চ বানালেন চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেলজয়ী কার্ল ডাইসেরথ
৫ অক্টোবর গভীর রাতে সুখবরটি পান বিজ্ঞানী কার্ল ডাইসেরথ। চিকিৎসাবিজ্ঞানে এক যুগান্তকারী ভূমিকার জন্য তিনি ২০২৬ সালের নোবেল পুরস্কার জিতেছেন। নোবেল ঘোষণার পর থেকে একের পর এক অভিনন্দনবার্তা আসতে থাকে ক্যালিফোর্নিয়ার এই বিজ্ঞানীর কাছে। কেউ জানতে চান তাঁর অনুভূতি, কেউ আবার নিতে চান সাক্ষাৎকার।
এখন জীবন্ত প্রাণীর ভেতরটাও আমরা নিখুঁতভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে পারি— কার্ল ডাইসারোথ, চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেলজয়ী
স্টকহোম থেকে যখন ফোনটা আসে, তখন যুক্তরাষ্ট্রে মাঝরাত। চারপাশ নিস্তব্ধ, কিন্তু কার্ল ডাইসারোথ তখনো জেগে কাজ করছিলেন। নোবেল পুরস্কার জেতার খবরটা পাওয়ার ঠিক পরপরই নোবেল প্রাইজের ওয়েবসাইটের পক্ষ থেকে অ্যাডাম স্মিথ তাঁকে ফোন করেন।
নোবেল পেয়ে কেমন কাটল ডাইসারোথের প্রথম দিন, দেখুন ছবিতে
স্টকহোম থেকে ফোনটা আসার পর পৃথিবীর যেকোনো মানুষেরই আনন্দে আত্মহারা হয়ে যাওয়ার কথা। উদ্যাপন শুরু করাই হয়তো স্বাভাবিক দৃশ্য। কিন্তু স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক কার্ল ডাইসারোথ কী করলেন? তিনি সোজা রান্নাঘরে ঢুকে গেলেন ছেলেমেয়েদের স্কুলের টিফিনের স্যান্ডউইচ বানাতে!
যে গবেষণার জন্য চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল পেলেন তিন বিজ্ঞানী
এমন একটা এককোষী শৈবাল আছে, যেটা আলো দেখলে সাঁতরে আলোর দিকে চলে যায়। ক্ল্যামাইডোমোনাস নামের এই ক্ষুদ্র জীবটা নিয়ে নব্বইয়ের দশকের শুরুতে কাজ করছিলেন জার্মান গবেষক পিটার হেগেমান। তাঁর প্রশ্ন ছিল খুব সোজা, আলো পড়ার সঙ্গে সঙ্গে এত দ্রুত কীভাবে এই শৈবালের ভেতরে বৈদ্যুতিক সিগন্যাল তৈরি হয়?
যে আবিষ্কারের কারণে চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল পেলেন তিন বিজ্ঞানী
চিকিৎসাবিজ্ঞান ও শারীরতত্ত্বে এ বছর নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন কার্ল ডাইসারোথ, পিটার হেগেম্যান এবং গেওর্গ নাগেল। আলোর সাহায্যে নিয়ন্ত্রিত আয়ন চ্যানেল এবং অপটোজেনেটিকস সম্পর্কিত আবিষ্কারের জন্য চলতি বছর তাঁদের এই পুরস্কার দেওয়া হয়। মানুষের মস্তিষ্ক এক বিশাল রহস্যময় যন্ত্র।
চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল পেলেন তিন বিজ্ঞানী, কী আবিষ্কার করলেন
মানবমস্তিষ্কের জটিল কার্যপ্রণালি এবং একক স্নায়ুকোষ বা নিউরনের আচরণ নিয়ন্ত্রণের যুগান্তকারী পদ্ধতি অপটোজেনেটিকস আবিষ্কারের জন্য ২০২৬ সালের চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন তিন বিজ্ঞানী।
তিন বিজ্ঞানীর যুগান্তকারী আবিষ্কার
মস্তিষ্কের নির্দিষ্ট কোনো অংশ বা স্নায়ুকোষ কীভাবে আমাদের স্মৃতি, চিন্তা, ভয় বা অনুভূতির মতো জটিল প্রক্রিয়াগুলোকে পরিচালনা করে, তা সুনির্দিষ্টভাবে চিহ্নিত করার মতো প্রযুক্তি বিজ্ঞানীদের হাতে ছিল না।
আলো দিয়ে মস্তিষ্কের ভাষা পড়া
১৯৭১ সালে জন্ম নেওয়া ডাইসেরথ যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৯৮ সালে স্নায়ুবিজ্ঞানে পিএইচডি এবং ২০০০ সালে চিকিৎসাবিজ্ঞানে এমডি ডিগ্রি অর্জন করেন। তার পেশাগত পরিচয় কেবল একজন গবেষকের নয়; তিনি চিকিৎসক হিসেবেও প্রশিক্ষিত।
মস্তিষ্কের অনুভূতি-আচরণের রহস্য উন্মোচন ৩ বিজ্ঞানীর
চিকিৎসাবিজ্ঞানে ২০২৬ সালের নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের স্নায়ুবিজ্ঞানী কার্ল ডাইসেরথ এবং জার্মানির দুই গবেষক-পিটার হেগেম্যান ও গেওর্গ নাগেল।
চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল পেলেন তিন বিজ্ঞানী
চিকিৎসাবিজ্ঞানে (ফিজিওলজি বা মেডিসিন) ২০২৬ সালের নোবেল পুরস্কার যৌথভাবে কার্ল ডেইসেরথ, পিটার হেগেম্যান ও গেয়র্গ নাগেলকে প্রদানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ক্যারোলিনস্কা ইনস্টিটিউটের নোবেল অ্যাসেম্বলি।
চিকিৎসাবিজ্ঞানে ডেইসেরোথ, হেগেমান ও নাগেল নোবেল পুরস্কারে ভূষিত
চিকিৎসাবিজ্ঞানে ডেইসেরেথ, হেগেমান ও নাগেল পুরস্কারে ভূষিত
চিকিৎসাবিজ্ঞানে এবছর যৌথভাবে নোবেল পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের কার্ল ডেইসেরোথ এবং জার্মানির পিটার হেগেমান ও জর্জ নাগেল। কোষের কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণে আলো ব্যবহারের নতুন পথ দেখানো গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কারের জন্য তাদের এ সম্মাননা দেওয়া হয়।
আলোচনা · ০
মন্তব্য করতে বা রিপোর্ট জানাতে সাইন ইন করুন। সবাই মন্তব্য পড়তে পারবেন।
এখনো কোনো মন্তব্য নেই।