
দুই হাত নেই, পা দিয়ে ব্ল্যাকবোর্ডে লেখেন শিক্ষক দুঃখু মিয়া
পা দিয়ে ব্ল্যাকবোর্ডে লেখেন শিক্ষক দুঃখু
- জন্ম থেকেই দুই হাত নেই আলতাফ হোসেন দুঃখু মিয়ার
- পা দিয়ে লিখে উচ্চশিক্ষা অর্জন ও ব্ল্যাকবোর্ডে লেখালেখি করেন
- চাকরি না পেয়ে পৈতৃক জমিতে বিদ্যালয় গড়ে তুলেছেন
- তার পাশে দাঁড়িয়েছেন জেলা প্রশাসক
সময়রেখা
- ৬ অক্টোবরদুই হাত নেই, পা দিয়ে ব্ল্যাকবোর্ডে লেখেন শিক্ষক দুঃখু মিয়া · ১টি খবর
- ৮ অক্টোবরদুই হাত নেই, তবু থেমে থাকেননি দুঃখু মিয়া, গড়েছেন একটি স্কুল · ১টি খবর
- ১১ অক্টোবর১টি নতুন খবর, যোগ দিয়েছে একাত্তর টিভি: ৮৫ বছরের অসহায় বৃদ্ধ ও চার এতিম শিশুর পাশে প্রশাসন
- ১২ অক্টোবরদুই হাত ছাড়াই শিশুদের শিক্ষা দিচ্ছেন দুঃখু মিয়া, পাশে দাঁড়ালেন জেলা প্রশাসক · ৪টি খবর
- ১৩ অক্টোবর২টি নতুন খবর, যোগ দিয়েছে Channel i (YouTube): দুই হাত নেই, তবুও থেমে নেই জীবনযুদ্ধ | Channel i News
কেন আলোচনায়
দুই হাত ছাড়াই পা দিয়ে লিখে শিক্ষকতা করা এবং নিজের গড়া বিদ্যালয় নিয়ে সংবাদ প্রকাশিত হওয়ায় বিষয়টি আলোচিত হয়েছে।
টপিকের গতি
প্রতিটি স্তম্ভ = ওই সময়ে এই টপিকে প্রকাশিত খবরের সংখ্যা। মাউস রাখলে বা ট্যাপ করলে সংখ্যা ও সময় দেখা যাবে।
উৎস অনুযায়ী খবর
দুঃখু মিয়ার কিন্ডারগার্টেন হবে উচ্চবিদ্যালয়
জন্ম থেকেই দুই হাত নেই আলতাফ হোসেন ওরফে দুঃখু মিয়ার। শারীরিক প্রতিবন্ধকতা পেছনে ফেলে তিনি পড়াশোনা চালিয়ে গেছেন। পা দিয়ে লিখেই অর্জন করেছেন উচ্চশিক্ষা। বিশেষ কোটায় পাননি কোনো সরকারি বা বেসরকারি চাকরি। শেষ পর্যন্ত নিজেই পৈতৃক জমিতে গড়ে তুলেছেন ‘প্রতিভা দুঃখু মিয়া কিন্ডারগার্টেন’ নামের এক স্কুল।
দুই হাত নেই, তবু থেমে থাকেননি দুঃখু মিয়া, গড়েছেন একটি স্কুল
জন্ম থেকেই দুই হাত নেই দুঃখু মিয়ার। পা দিয়ে লিখে উচ্চশিক্ষা অর্জন করেছেন। চাকরি না পেয়ে গড়েছেন স্কুল, ছড়াচ্ছেন শিক্ষার আলো।
প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে অদম্য শিক্ষক দুখু মিয়ার পাশে জেলা প্রশাসন
দুই হাত না থাকা সত্ত্বেও দমে যাননি, উল্টো পা দিয়ে ব্ল্যাকবোর্ডে লিখে শিশুদের জীবনের আলো ছড়িয়ে দিচ্ছেন নরসিংদী সদর উপজেলার পাঁচদোনা এলাকার অদম্য শিক্ষক আলতাফ হোসেন দুখু মিয়া। গণমাধ্যমে তাঁর এই অনুপ্রেরণাদায়ক লড়াইয়ের গল্প উঠে আসার পর বিষয়টি দৃষ্টিগোচর হয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের।
৮৫ বছরের অসহায় বৃদ্ধ ও চার এতিম শিশুর পাশে প্রশাসন
গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর অবশেষে নেত্রকোনার সদর উপজেলার শিবপ্রসাদপুর গ্রামের ৮৫ বছর বয়সী অসহায় বৃদ্ধ রুস্তম আলী ও তাঁর চার এতিম নাতি-নাতনির পাশে এসে দাঁড়িয়েছে উপজেলা প্রশাসন।
আলোচনা · ০
মন্তব্য করতে বা রিপোর্ট জানাতে সাইন ইন করুন। সবাই মন্তব্য পড়তে পারবেন।
এখনো কোনো মন্তব্য নেই।