
শিক্ষকতাকে মেধাবীদের প্রথম পছন্দের পেশা করতে কাজ করছে সরকার
শিক্ষকতাকে মেধাবীদের পেশা করতে কাজ
- প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন যে শিক্ষকতা কোনোভাবেই ‘উপায়হীন বিকল্প’ বা সাধারণ চাকরির মতো পেশা হতে পারে না।
- সরকার শিক্ষক নিয়োগ ও শিক্ষাব্যবস্থাকে ঢেলে সাজানোর কাজ করছে যাতে সবচেয়ে মেধাবীরা শিক্ষকতাকে প্রথম পছন্দ হিসেবে বেছে নেন।
- বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে রাজধানী ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জাতীয় পর্যায়ে ‘গুণী শিক্ষক সম্মাননা’ প্রদান করা হয়।
- রাষ্ট্র ও সমাজের কাছে শিক্ষকদের সম্মান ও মর্যাদার ওপর রাষ্ট্রের মর্যাদা নির্ভর করে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী।
- বিশ্লেষকদের মতে, শিক্ষক নিয়োগে দলীয়করণ দূর করা এবং শিক্ষাব্যবস্থার গুণগত পরিবর্তন আনা জরুরি।
সময়রেখা
- ৫ অক্টোবরবিশ্ব শিক্ষক দিবসে শিক্ষকতাকে মেধাবীদের প্রথম পছন্দ করার ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর। · ৫টি খবর
- ৬ অক্টোবরমেধাবীদের প্রথম পছন্দ হিসেবে শিক্ষকতা পেশাকে গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ। · ১টি খবর
- ৯ অক্টোবরশিক্ষকতার মান ও শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে বিভিন্ন মহলের বিশ্লেষণ প্রকাশ। · ১টি খবর
কেন আলোচনায়
বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের শিক্ষকতা পেশা নিয়ে দেওয়া গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্যের কারণে বিষয়টি আলোচনায় রয়েছে।
এক নজরে: সংবাদমাধ্যমগুলো কীভাবে লিখেছে
সরকার শিক্ষকতা পেশাকে মেধাবীদের প্রথম পছন্দের পেশা হিসেবে গড়ে তোলার উদ্যোগ নিচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, শিক্ষকতা কোনো সাধারণ চাকরির মতো নয়। শিক্ষক নিয়োগ ও শিক্ষা ব্যবস্থার সংস্কার চলছে এই লক্ষ্যে।
AI লিখেছে, সংবাদমাধ্যমগুলোর শিরোনাম ও প্রতিবেদনের অংশ থেকে। কোনো সংবাদমাধ্যমের মূল্যায়ন নয়। প্রতিটির খবর নিচে।
টপিকের গতি
প্রতিটি স্তম্ভ = ওই সময়ে এই টপিকে প্রকাশিত খবরের সংখ্যা। মাউস রাখলে বা ট্যাপ করলে সংখ্যা ও সময় দেখা যাবে।
উৎস অনুযায়ী খবর
শিক্ষকতা হবে মেধাবীদের প্রথম পছন্দ
মেধাবীরা কর্মজীবনে শিক্ষকতাকে যেন প্রথম পছন্দ হিসেবে বেছে নেয় সে লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, ‘শিক্ষকতা কোনোভাবেই “উপায়হীন বিকল্প” বা সাধারণ চাকরির মতো পেশা হতে পারে না।
শিক্ষকতাকে মেধাবীদের প্রথম পছন্দের পেশা করতে কাজ করছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, শিক্ষকতা কোনোভাবেই ‘উপায়হীন বিকল্প’ বা সাধারণ চাকরির মতো পেশা হতে পারে না। শিক্ষা-দীক্ষায় সবচেয়ে মেধাবীরা যাতে কর্মজীবনে শিক্ষকতাকেই প্রথম পছন্দ হিসেবে বেছে নেন, সে লক্ষ্যে সরকার শিক্ষক নিয়োগ ও শিক্ষা ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজাচ্ছে।
প্রশ্নের মুখে শিক্ষকতা
শিক্ষকদের বলা হয় মানুষ গড়ার কারিগর। অর্থসম্পদে পিছিয়ে থাকলেও একসময় সামাজিক মর্যাদায় তারা ছিলেন সবার ওপরে। বাবা-মায়ের পর শিক্ষকের অবস্থানএমন ধারণাই ছিল সমাজে। আর্থিকভাবে গ্রামের সবচেয়ে অসচ্ছল মানুষটিও শিক্ষক পরিচয়ে পেতেন আলাদা সম্মান।
আলোচনা · ০
মন্তব্য করতে বা রিপোর্ট জানাতে সাইন ইন করুন। সবাই মন্তব্য পড়তে পারবেন।
এখনো কোনো মন্তব্য নেই।