
স্থায়ী ঠিকানা না থাকায় শিক্ষক পদে নিয়োগ বিলম্বিত মিশন আচার্য
শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে কথা ও নিয়োগ
- মেধাতালিকায় দ্বিতীয় স্থান অধিকারী মিশন আচার্য স্থায়ী ঠিকানা না থাকার কারণে নিয়োগ পাননি
- প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেন বিষয়টি সমাধানের জন্য
- শিক্ষামন্ত্রীর নির্দেশে অবশেষে মিশন আচার্যের নিয়োগ চূড়ান্ত হয়েছে
- নিয়োগপত্র রাশেদ খান তার মায়ের হাতে তুলে দেন
সময়রেখা
- ২ অক্টোবরপ্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেন মিশন আচার্যের নিয়োগ বিষয়ে · ১টি খবর
- ৬ অক্টোবরশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে মিশন আচার্যের নিয়োগ চূড়ান্ত করার নির্দেশ দেন মন্ত্রী · ২টি খবর
- ৭ অক্টোবরমিশন আচার্যের নিয়োগপত্র বাড়িতে পৌঁছে দেন রাশেদ খান · ২টি খবর
- ৮ অক্টোবরমেধাতালিকায় দ্বিতীয় স্থান অধিকারী ক্লিন্টন স্থায়ী ঠিকানা না থাকার কারণে নিয়োগ পাননি · ৩টি খবর
- ১১ অক্টোবর২টি নতুন খবর, যোগ দিয়েছে দেশ রূপান্তর: নিয়োগপত্র পাননি মেধাতালিকায় দ্বিতীয় ফয়জুল!
কেন আলোচনায়
শিক্ষক পদে নিয়োগের মানবিক দিক ও প্রশাসনিক জটিলতার কারণে জনমতের আলোচনায় আসা বিষয়টি।
এক নজরে: সংবাদমাধ্যমগুলো কীভাবে লিখেছে
মিশন আচার্য স্থায়ী ঠিকানা না থাকায় প্রাথমিক শিক্ষক পদে মেধাতালিকায় দ্বিতীয় হলেও নিয়োগ পাননি। পরে মানবিক দিক বিবেচনা করে শিক্ষামন্ত্রীর নির্দেশে চাকরিপত্র পান। প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী তার হাতে চাকরিপত্র তুলে দেন।
AI লিখেছে, সংবাদমাধ্যমগুলোর শিরোনাম ও প্রতিবেদনের অংশ থেকে। কোনো সংবাদমাধ্যমের মূল্যায়ন নয়। প্রতিটির খবর নিচে।
টপিকের গতি
প্রতিটি স্তম্ভ = ওই সময়ে এই টপিকে প্রকাশিত খবরের সংখ্যা। মাউস রাখলে বা ট্যাপ করলে সংখ্যা ও সময় দেখা যাবে।
উৎস অনুযায়ী খবর
মেধা তালিকায় উপজেলায় দ্বিতীয় হয়েও নিয়োগবঞ্চিত ফয়জুল
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছিলেন মো. ফয়জুল আলম। উপজেলা পর্যায়ে মেধাতালিকায় ছিলেন দ্বিতীয়। কিন্তু ভেরিফিকেশনে বাদ পড়ায় দুই দফায় প্রকাশিত গেজেটের কোনোটিতেই নাম আসেনি তার।
‘শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেছি, শিগগিরই সে নিয়োগ পাবে’
নিয়োগের জন্য নির্বাচিত হয়েও চাকরি পাননি ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) সাবেক শিক্ষার্থী মিশন আচার্য। স্থায়ী ঠিকানায় বসতভিটা না থাকায় তার নিয়োগ আটকে যায় বলে অভিযোগ রয়েছে। বিষয়টি নিয়ে শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী মো. রাশেদ খান।
মেধাতালিকায় দ্বিতীয় ক্লীন্টন, নদীভাঙনে বসতভিটা বিলীন হওয়ায় পাননি নিয়োগপত্র
‘আমি বাংলাদেশের নাগরিক। আমার জাতীয় পরিচয়পত্র আছে। শুধু স্থায়ী ঠিকানা না থাকার কারণে আমি চাকরিটা পাইনি। অথচ মেধাতালিকায় আমি দ্বিতীয় হয়েছি। মেধার বিষয়টি বিবেচনা না করে শুধু স্থায়ী ঠিকানা না থাকায় নিয়োগপত্র দেওয়া হয়নি। মানবিক দিক বিবেচনা করে চাকরিটা দেওয়ার জন্য আবেদন করেছি।
অবশেষে নিয়োগ পেলেন ভিটেবাড়িহীন মিশন আচার্য
অবশেষে প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগ পেলেন ঝিনাইদহের মিশন আচার্য। শিক্ষক পদে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েও বসতভিটা ও স্থায়ী ঠিকানা না থাকার অজুহাতে তাঁর নিয়োগপত্র আটকে দেওয়া হয়েছিল। বিষয়টি নিয়ে অনিশ্চয়তায় পড়েছিলেন মিশন আচার্য ও তাঁর পরিবার।
আলোচনা · ০
মন্তব্য করতে বা রিপোর্ট জানাতে সাইন ইন করুন। সবাই মন্তব্য পড়তে পারবেন।
এখনো কোনো মন্তব্য নেই।